বিজ্ঞাপন

৬ষ্ট বর্ষে শিশুকিশোর টুনটুনি! টুনটুনির সকল লেখক, পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা!

সাইদুর রহমান লিটন এর একগুচ্ছ ছড়া

                         

১.ফেলে আসা গ্রাম


ইটের পরে ইট পরেছে

দেখতে মনোহর,

পাশাপাশি ঘেঁষাঘেঁষি 

তবুও সবাই পর।


এই শহরে এসির মধ্যে

ভ্যাপসা গরম পরে,

পথের পরে রাস্তার মানুষ

বুটের তলায় মরে।


শহর জুড়ে কতো মানুষ

মানবতা নাই,

গাঁয়ের মানুষ অতি আপন

প্রানের ছোঁয়া পাই।


স্মৃতির পাতায় অতীত গুলো

বিন্দু বিন্দু ঘামে,

মনের মাঝে ছন্দ হারায়

পরলে পরে জ্যামে।


যানবাহনে ঢাকার শহর

যন্ত্রণার  এক ছবি,

ফেলে আসা গেরাম খানি

প্রভাত বেলার রবি।


                         ১. মায়ের হাসি

আমার মায়ের স্বর্গ হাসি

   মনে লাগে দোলা,

   আমার মায়ের মিষ্টি হাসি

    যায় না কভু ভোলা। 


আমার মায়ের হাসির শোভা

চাঁদের সাথে মিলে,

আমার মায়ের দেখলে হাসি

সুখ পাওয়া যায় দিলে।


আমার মায়ের হাসি যেনো

ভোরের মিষ্টি আলো,

আমার মায়ের মুখের হাসি

দেখলে লাগে ভালো।


আমার মায়ের হাসির  ধারা

নদীর  মতো  গতি,

যত সুখের ফল্গুধারা

আমার মায়ের প্রতি। 


আমার মায়ের হাসি মুখটি

সোনার মত জ্বলে,

সবার সেরা আমার মা যে

সকল লোকে বলে।

 

৪. ছোটদের নজরুল

 

হাসি মুখে গল্প করতেন

ছন্দ-ছড়ায় গান,

ছোটদের'ই বন্ধু ছিলেন

সব শিশুদের প্রাণ।

 

পাখির সুরে গেয়ে উঠতেন

ঘুরতেন ফুলের বাগে,

জাগতেন তিনি নিদ্রা থেকে

সূর্যি মামার আগে। 


মাথায় ছিলো চমক লাগা

কালো বাবরি চুল,

ফুল পাখিদের ছড়া লিখতেন 

ছোটদের  নজরুল। 


শিশুর মতই উদাস ছিলেন

পাঠে দিতেন মন,

খেলাধূলায় মন চলে যায়

পাঠে কতক্ষণ! 


৫.হাসি


মনটা আমার সুখী থাকে

দেখলে পরে হাসি,

হাসি মুখের মানুষ দেখলে

বড্ড ভালবাসি।


হাসি মুখের মানুষ গুলো

খুবই সরল সোজা,

মুখের ছবি দেখলে যাবে

মনের কথা বোঝা।


হাসি যেনো স্বর্গ সুধা

বিধির দেয়া দান,

হাসি যুক্ত মানুষ গুলো

তাইতো সন্মান পান।


প্রাণটা খুলে হাসলে পরে

দু:খ যাবে ভুলে,

মনের ময়লা যাবে চলে

হাসি দিয়ে  ধুলে।


সদা হাসা বন্ধু  পেলে

জীবন হাসি ময়,

সকল কাজে শান্তি থাকে

জীবন সুন্দর হয়।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন