বিজ্ঞাপন

৬ষ্ট বর্ষে শিশুকিশোর টুনটুনি! টুনটুনির সকল লেখক, পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা!

ছড়া ও কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ছড়া ও কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শাপলা ফোটা বিল | সাঈদুর রহমান লিটন


 


শাপলা ফোটা বিল

রোদের ঝিলমিল

মনটা যায় ভরে

দিন দুপুরে। 


যাচ্ছে দেখা চিল

মাছের কিলবিল

খাবার লোভে চিল

ওড়ে উপরে। 


সবুজ শাদা ফুল

নরম তুলতুল

হাত দিয়ে দেখো ছুঁয়ে

বিলের ঠান্ডা জলে।



কিশোর ছেলেমেয়ে

পানির মাঝে যেয়ে

শাপলা আনে তুলে 

কৈ,শিং আর পুঁটি ছানারা

থাকে জলের তলে। 



শরৎ ছবি আঁকছি | মৌসুমী চট্টোপাধ্যায় দাস

 


যেদিকে চাই পাল তুলেছে সাদা মেঘের নৌকো,
মাথার ওপর নীলচে রঙের সামিয়ানার চৌকো,
চৌকো তো নয়, আছে ছেয়ে গাঁয়ের এদিক ওদিক,
দোয়েল ফিঙের সুর শোনা যায় দৌড়ে গেছি যেদিক৷
শালুক কাশে গলাগলি, চড়ের বালি চিকচিক,
সূর্য খুশির রোদ ঢেলেছে, হাসছে বাতাস ফিকফিক৷
উড়িয়ে দিলাম খুশির ঘুড়ি প্রাণের মিলন যজ্ঞে,
শরৎ দিলো সুখ ভরপুর লোভ করি না সগ্গে৷
দুঃখ ভোলার মন্ত্র জানা এক জাদুকর ডাকছি,
দুগ্গাতলায় মিলন মেলার আগাম ছবি আঁকছি৷


ভূতের চিকিৎসা | আঞ্জুমান আরা

 



পাগল ভূতে কয় চেচিয়ে
জমেনা জমেনা,
তাবিজ কবজ কত দিলো
পাগলামি কমেনা।

নদীর জলে ডুবিয়ে রাখে
বেধে বস্তার মুখ,
তুললে আবার হেসে বলে
জলে বড্ড সুখ।

উল্টো করে গাছের ডালে
পা দু' টিকে বেঁধে,
পোটকা মাছ আর ব্যাঙের সুপ 
খেতে দিলে রেধে।

লোহা পুড়ে দিচ্ছে স্যাকা 
বদ্যি এসে তারে,
তার পরেও পাগলামি টা
বড্ড বেশি বাড়ে।

ত্রিশ দিন গাছের টেনে 
তুলবে তার বাপ কে,
দুবার করে চুমু খাবে
কিং কোবরা সাাপ কে।

গেলো চলে পাগলামিটা
ভূতের মাথা ঠান্ডা,
গেপন খবর মাঝ রাতে
বদ্যি মারে ডান্ডা।

টুনটুনি | স্বাগতা ভট্টাচার্য

 

ছোটো পাখি টুনটুনি

আম ডালে বাসা,

ছানা থাক দুধে ভাতে

এইটুকু আশা!


ছোটো-ছোটো চঞ্চুতে 

খঁড়কুটো আনে,

ভোর হলে ভরে দেবে 

ছড়া আর গানে


ঝড়, জলবাদলাতে

নিরাপদে থাকে!

জুটিবেঁধে সুখী ওরা,

কত ছবি আঁকে


 ছোটো পাখি, ছোটো নীড় 

ছোটো-ছোটো আশা,

ছোটো বুকে থাকে তার 

কতো ভালোবাসা


তবু নেই কোত্থাও 

উড়ে যেতে মানা!

মস্ত সে আকাশেতে,

মেলে দেবে ডানা



লেখক: স্বাগতা ভট্টাচার্য, 

নবগ্রাম, গঙ্গাজলঘাটি, বাঁকুড়া, ভারত।

অন‍্যরকম | অপর্ণা বসু



       


পুষি বলল মিয়াঁও আর বাঘা বলল ঘেউ
ঘরে তখন একলা আমি আর নেইতো কেউ!

পুষির মাথা চুলকে দিয়ে বাঘা কে দিই হামি
ওরাই আমার খেলার  সাথী  ভীষণ রকম দামি।

মা চলে যায় অফিসেতে বাবার অফিস ঘরে
অন লাইনে পড়ি আমি পিসী রান্না করে। 


পড়ার শেষে কার্টুন দেখি টিভির সাউন্ড মিউট
পুষি বাঘার চোখ গোলগোল মুখখানা কি কিউট!


এমনি করেই দিন কেটে যায় একই রকম কাজ
আজকে মায়ের অফিস ছুটি অন‍্যরকম আজ।

শাহিন স্বপনের একগুচ্ছ ছড়া

 ১/ঘুড়ি




নীল আকাশে উড়ছে ঘুড়ি

লাটাই খোকার হাতে,

হাঁটছে খোকা এদিক-ওদিক
 
ঘুড়ির সাথে সাথে। 

বন পেরিয়ে উড়ছে ঘুড়ি

নীল আকাশের বুকে,

দারুণ সুখে হাসির ধ্বনি 

ফুটছে খোকার মুখে।

উড়ছে ঘুড়ি পতপতিয়ে
সবুজ মাঠের 'পরে,

ছোট্টখোকা অনেক খুশি

লাটাই হাতে ধরে।

ঘুড়ি নাচে তিড়িংবিড়িং 

বাতাস যেদিক ধায়,

খোকাও নাচে ঘুড়ির সাথে

দিন পেরিয়ে যায়।



২/আদর্শ খুকি



আজ ভোরে ছোট খুকি ঘুম থেকে উঠে,

বই নিয়ে তাড়াতাড়ি যায় ঘরে ছুটে।

বাবু স্যার না-কি তাকে পড়া দিছে মেলা,

তাই আজ বাদ গেছে তার সব খেলা। 

হাতমুখ ধুয়ে খুকি শুরু করে পড়া,

তা নাহলে ক্লাসে গিয়ে সাজা কান ধরা।

পড়ালেখা শেষ করে সব ঠিকমতো, 

ব্যাগে নিলো বই খাতা যেথা ছিলো যত।
 
তাড়াহুড়ো করে খুকি হাতঘড়ি দেখে, 

টিফিনের বাটি আজ গেছে ভুলে রেখে। 

ক্লাসে সব পড়া দিয়ে খুব খুশি খুকি, 

সখী হলো মিনা, শিখা আর হলো সুকি।

টিফিনের সময়েতে খুব খুশি মনে, 

একসাথে মিলেমিশে খায় চারজনে।

এভাবেই ছোট খুকি আজ ওঠে বেড়ে, 

প্রিয়দিন ছেলেবেলা, শৈশব ছেড়ে