টাপুরটুপুর বৃষ্টি দুপুরপায়ে দিয়ে রূপার নূপুরবর্ষা মেয়ে নাচে,টিনের চালে ঝুমুরঝুমুরআনন্দ সুর বাজে।গড়গড়িয়ে কলকলিয়েছুটছে ধারা ছলছলিয়েকি যে ভালো লাগে,খোকাখুকু উদোম গায়েকাদা জলে মাগে।ভিজতে মানা নেই কি জানাভুলে গেলে হবে?ঠাণ্ডা জ্বরে ধরলে পরেকেমন হবে তবে?
টাপুরটুপুর বৃষ্টি দুপুরপায়ে দিয়ে রূপার নূপুরবর্ষা মেয়ে নাচে,টিনের চালে ঝুমুরঝুমুরআনন্দ সুর বাজে।গড়গড়িয়ে কলকলিয়েছুটছে ধারা ছলছলিয়েকি যে ভালো লাগে,খোকাখুকু উদোম গায়েকাদা জলে মাগে।ভিজতে মানা নেই কি জানাভুলে গেলে হবে?ঠাণ্ডা জ্বরে ধরলে পরেকেমন হবে তবে?
শাপলা ফোটা বিল
রোদের ঝিলমিল
মনটা যায় ভরে
দিন দুপুরে।
যাচ্ছে দেখা চিল
মাছের কিলবিল
খাবার লোভে চিল
ওড়ে উপরে।
সবুজ শাদা ফুল
নরম তুলতুল
হাত দিয়ে দেখো ছুঁয়ে
বিলের ঠান্ডা জলে।
কিশোর ছেলেমেয়ে
পানির মাঝে যেয়ে
শাপলা আনে তুলে
কৈ,শিং আর পুঁটি ছানারা
থাকে জলের তলে।
ছোটো পাখি টুনটুনি
আম ডালে বাসা,
ছানা থাক দুধে ভাতে
এইটুকু আশা!
ছোটো-ছোটো চঞ্চুতে
খঁড়কুটো আনে,
ভোর হলে ভরে দেবে
ছড়া আর গানে।
ঝড়, জল, বাদলাতে
নিরাপদে থাকে!
জুটিবেঁধে সুখী ওরা,
কত ছবি আঁকে।
ছোটো পাখি, ছোটো নীড়
ছোটো-ছোটো আশা,
ছোটো বুকে থাকে তার
কতো ভালোবাসা।
তবু নেই কোত্থাও
উড়ে যেতে মানা!
মস্ত সে আকাশেতে,
মেলে দেবে ডানা।
লেখক: স্বাগতা ভট্টাচার্য,
নবগ্রাম, গঙ্গাজলঘাটি, বাঁকুড়া, ভারত।
১/ঘুড়ি