বিজ্ঞাপন

৬ষ্ট বর্ষে শিশুকিশোর টুনটুনি! টুনটুনির সকল লেখক, পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা!

বিভাগঃ ছড়া ও কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিভাগঃ ছড়া ও কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

দুষ্টুবিড়াল | হালিমা নদী

 



টুনটুনিটা বাঁধলো বাসা

বেগুনপাতায়,

তাইনা দেখে দুষ্টুবিড়াল

চোখটা পাকায়।


ছোট্টবাসায় একেক করে

তিনটে ডিম,

সেই খবরে বিড়াল নাচে

তা ধিন্ ধিন্।


টুনির বাসায় ফুটলো যখন

তিনটে ছানা,

বিড়াল ভাবে ছানার উপর

মারবে হানা।


ফন্দি বুঝে মা টুনিটা

বুদ্ধি আঁটে,

বিড়াল মাসি বলে বলে

পা'টা চাটে।


প্রশংসাতে দুষ্টুবিড়াল

একটু হাসে,

মাংস খাওয়ার লোভে খানিক

ভাঁটা আসে। 


ক'দিন পরে তিনটে ছানা

উড়তে শেখে,

দুষ্টবিড়াল লোভী চোখে

চেয়ে দেখে।


এক লাফিয়ে ছানাগুলো 

ধরতে গেলো,

ডালটা ভেঙে দুষ্টুবিড়াল

আছাড় খেলো।

অতিথি পাখি | দ্বীন মোহাম্মাদ দুখু

 


 


শীতের ভোরে বসে যখন 
দেশের ছবি আঁকি,
চোখের সামনে ভেসে ওঠে
অতিথি সব পাখি।

নদীর তীরে বসে পাখি
বসে বিলে,লেকে 
মনটা আমার যায় ভরে যায়
পাখির নাচন দেখে।

গাছের ডালে হেলেদুলে 
মিষ্টি কুটুম পাখি,
ইচ্ছে করে এই দেশেতে
তারে বেঁধে রাখি।

আজব কাণ্ড | রফিকুল নাজিম

  



মেঘের ছানা ডিম দিয়েছে
ইয়া মস্ত বড়ো,
সূর্য তাতে তা দিয়েছে
বৃষ্টি ঝরোঝরো।

বৃষ্টি ফোটা ধপাস করে
যেই না পরে ঘাসে
তাই না দেখে পুচকে পরী
মিষ্টি গালে হাসে।

ঘাসের ওপর বৃষ্টি কণা
পড়েই হলো ফুল
আজব কাণ্ড দেখে গাঁয়ে
বাঁধলো হুলুস্থুল!

মেঘ কিভাবে ডিম দিয়েছে 
জলে কি হয় ফুল?
কচলিয়ে চোখ খোকা শুধায়
কোথায় গণ্ডগোল?

হুড়মুড়িয়ে বাতাস এসে
বলে খোকার কানে,
কল্পরাজ্য সবার খোলা
দেখতে যদি জানে!

একগুচ্ছ ঈদের ছড়া | আতাউর মালেক



১- 'স্বপ্ন ভাসে মায়ের চোখে'


রাতের বেলা চাঁদের আলো

ঝকমকিয়ে উঠে,

খোকন সোনা মায়ের কোলে

দেখছে খুঁটে খুঁটে!

বলছে মাকে, চাঁদটা মাগো

জ্বলছে কেন বলো,

চলোনা মা সেথায় গিয়ে

একটু ঘুরি চলো!

চাঁদে নাকি কোনসে বুড়ি

মিটমিটিয়ে হাসে,

পেঁজাতুলো মেঘেরা সব

কেমনে দেখি ভাসে!

খোকার এমন কথায় বাঁনে

ভরে মায়ের বুক,

স্বপ্ন ভাসে মায়ের চোখে

আসছে ঘরে সুখ! 


২-'বলছে মাকে, ঈদটা মাগো'


খোকা বাবুর মনটা ভারী

বলছে না সে কথা, 

এই করোনায় মরলো অনেক

তাইতো মনে ব্যথা! 

ছোট্ট খোকা করবে কী আর

ছোট্ট মাথা তার, 

বলছে মাকে, ঈদটা মাগো

করবো না এবার! 

দেখছো না মা!  আহাজারি 

দুনিয়া জুড়ে আজ,

পায় না তারা চিকিৎসাটাও

করুন কিযে সাজ! 

হাতটি রেখে খোকার মাথায়

রবকে ডাকে মায়ে, 

শান্ত করে দাও না খোদা 

তোমার শিতল ছাঁয়ে! 



ভূতের বাবার জ্বর | পলাশ পাল

 



ভূতের বাবার জ্বর এসেছে,
ঘন বর্ষায় ভিজে।
ভূত পরিবার এলো ছুটে,
করবে এখন কি যে।

বয়স বেড়েছে গরীব বাবার,
পরিবার পথে বসে।
ঠেলায় পড়ে কুঁড়ে ছেলে
জমিতে লাঙল চষে।

ভূতের রাজ্যে বড়ই অসুখ,
খাবারের বড্ড অভাব।
গভীর রাতে চুরি করা,
অদ্ভুত ওদের স্বভাব।

ভূতের বাবার যে জ্বর এসেছে,
বৃষ্টিতে ভিজে গিয়ে।
ভূত কবিরাজ এসেই গেলো
জংলী পাতা নিয়ে।


নাম: পলাশ পাল
ঠিকানা: মানকুন্ডু পালপাড়া লেন, হুগলী
মোঃ ৮৯৮১২৪২৮৭৪

দাদু নাতি | লায়লা আরজুমান সুইটি


খোকন সোনা রাগ করেছে
আর খাবেনা ভাত!
আদর কদর যতোই করো
বুঝাও না পাঁচ সাত।
পড়তে আমার ভাল্লাগেনা
খেলা দোলা খায়,
নীল আকাশে ঘুড়ি হয়ে
উড়তে মনে চায়।
সাতরঙা ঐ রামধনুটা
আমার কেনো নয়?
দাদু কেবল পড়তে বলে
দুইয়ে চারে ছয়।
সাদা মেঘের ভেলায় ভেসে কল্পে চাঁদে যাই
অলি হয়ে ফুলের বাগে
কতোই মধু খাই।
পড়ালেখায় হেলাফেলায়
ধরেছে দাদু কান!
তাই তো খোকা ভাত খাবে না
খুব করেছে মান।
রাগ করে না নাতি সোনা
আমার দিকে চাও,
মেলায় নিয়ে যাবো তোমায়
একটু হাসি দাও।

ব্যাঙের বিয়ে | আবুল খায়ের



বাঘাডোবা ব্যাঙের বাড়ি
ভাঙ্গবে হাড়ি,
রানুদিদি, দাদার সনে
ধর'ছে আড়ি।
বৃষ্টি হলেই কোলা ব্যাঙের লম্বা সারি,
জোর'সে ডাকে ভাসিয়ে
জলে দাড়ি।
ডোবার জলে নাতি
ব্যাঙের বিয়ে,
মুষলধারে বৃষ্টি এলে
সঙ্গে যাবে টিয়ে।
সানাই বাজবে,বাজবে
আরও ঢোল,
নাচ হবে গান হবে
পড়বে গালে টোল।

কবি সিদ্দিক আবু বকর এর একগুচ্ছ ছড়া



 ক. সৈকতে আমি

খালি গায়
খালি পায়,
সৈকতে আমি-
ভোঁদৌড় দৌড়াই
রদ্দুরে ঘামি।
এই যা টলে পা
ধপ্পাস, থামি।
গা জ্বলা দুপুরে
সাগরে নামি।
হাপ্পুস হুপ্পুস
ঢেউটা দামী
সৈকতে দৌড়াই
সাগরে নামি।

খ. চিনুক সবাই


শামুক, ঝিনুক
           চিনুক
           চিনুক
সবাই চিনুক।
সবাই কিনুক
ঝিনুক মালা
শামুক বালা
কানের দুল
সাগর ফুল।

রূপের খামার
কিনুক সবাই
সৈকত আমার
চিনুক সবাই।

গ. গর্জন

হুম হুম
গুম গুম,
সোঁ সোঁ সাঁ!
তেড়ে ফুঁড়ে
আসে অই
সাগরের জাঁ
সোঁ সোঁ 
সোঁ সোঁ
সাঁ সাঁ সাঁ।
উঁচু ঢেউ গর্জন
তীরে থেমে যা
ভিজে যাক
খুকু মনি
বাঁধনের পা।


কবি হেলাল আনওয়ারের একগুচ্ছ ছড়া



১/ বাবু হাঁটে

বাবু হাঁটে থপ থপ

গা টালমাল করে,

একপা দুপা যেয়ে আবার
ঝপ করে সে পড়ে।
বাবু হাটে, সবাই খুশি
খুশি সারা বাড়ি,
বাবু হাটে, সবাই হাসে
নেই কোনো তার জুড়ি।
বাবু হেটে পড়তে যাবে
হবে অনেক বড়,
হাটো বাবু হাটতে হবে
ভয় কাঁপুনি ছাড়ো।

  ২/পড়তে হবে বাবু

সন্ধা এলো আযান হলো
বাবু সোনা কোথায় গেলো?
আয় বাবুজি জলদি আয়
নামায ছাড়া উপায় নাই।

অজু করো নামাজ পড়ো
সত্য বলো মিথ্যা ছাড়ো
পিতা মাতার মান্য করে
চলবে তুমি ধরার পরে।

ও বাবুজি পড়তে বসো
বই পড়াটা ভালোবাস
বড় হতে পড়বে তাই
বই ছাড়াতো উপায় নাই।

বাবু বলে-এবার থেকে
পড়বো সদা বই
বড় হবার জন্যে যেন
সাধক হয়ে রই।

    ৩/মাসুক বাবু

মাসুক বাবু মাসুক বাবু
বায়না করো না
অকারনে বায়না করে
কষ্ট দিও না।
বাবা মায়ের কথা মেনে
চলবে তুমি সদা
মান করো না জিদ করো না
হয় না যেন কাঁদা
পড়া রেখে করলে খেলা
কেমন করে হবে
হেলায় ফেলায় দিন কাটালে
খারাপ বলবে সবে।
তাইতো বলি মাসুক সোনা
আর করো না হেলা
বায়না রেখে পড়তে হবে
বই যে মেলা মেলা।

     ৪/পণ করব

পণ করব এবার থেকে
শিখবো কোরান পড়া,
পার পাবো না মরার পরে
আমরা,কোরান ছাড়া।
পড়বো হাদিস গড়বো জিবন
মেলবো ফুলের মতো
প্রজাপতি,বুল বুলি আর
আসবে পাখি শত।
আমার জিবন হয়গো যেন
জোসনা চাঁদের হাসি
মানুষ হতে করবে দোয়া
আমাই রাশি রাশি।

তোমাদের ছড়া-কবিতা












মেঘের বুড়ি | আহমেদ কিবরিয়া











মেঘের বুড়ি, মেঘের বুড়ি

রাগ করেছে খুব,
তাইতো এবার ভয় দেখিয়ে
বলে তোরা চুপ!
আষাঢ় মাসে বৃষ্টি হলে,
কদমফুলের বিয়ে,
সেই বিয়েতে গীত গাইবে,
সবুজ রঙের টিয়ে।
তাই না দেখে ব্যাঙ মামারা
দিচ্ছে জলে ডুব।
সাঁতার কেটে আজকে তাদের
দিন কেটে যায় খুব।
ঘ্যাঙর, ঘ্যাঙর ডাকছে তারা,
বুড়ির নাকি জামাই ওরা,
সেই খুশিতে শামুক ছানা বাজায় বিয়ের ঢোল,
হঠাৎ করে বৃষ্টি এসে
সকাল, বিকাল দিনের শেষে,
জলে কাঁদায় ঘোল।
মেঘের বুড়ি, মেঘের বুড়ি
ফোঁকলা দাঁতে হাসছো তুমি?
হেসেই করো সাফ!
পুকুর, ডোবা ভিজিয়ে দিয়ে
খুব করেছো লাভ।
পুঁটিমাছ আর কাঁকড়ারা সব
করছে মিটিং জলে,
বোকা বুড়ি, মেঘের বুড়ি!
তোমায় ওরা বলে।


আহমেদ কিবরিয়া

সাম্যের কবি নজরুল | চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু






বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল,
অগ্নিবীণার উজ্জ্বল তারা বাংলার বুলবুল।
প্রতিবাদী ভাব কবির স্বভাব লেখাতে ছিল তার,
ঝড় উঠতো ভারত বর্ষে দেখেছি বারে বার।

লেখায় লেখায় আগুন জ্বলে,
আকাশে বাতাসে জলে স্থলে,
আগুন থামাবে কারা?
থামবে আগুন পালাও ব্রিটিশ  ভারতে আছো যারা।

অগ্নিবাণীতে গ্রেফতার করে তাকে,
জেলখানাতে চুপ কি বলো থাকে,
শিকল পরা গানের সুরে কবিকে মুক্তি দিলো,
মুক্তি পেয়ে শান্ত হয়নি নতুন শপথ নিলো।

নেতাজী সুভাষ তাকে পাশে পাই কবিতো দু'হাত বাড়াই,
ভারত বর্ষে আগুন জ্বালিয়ে ব্রিটিশবাদীকে তাড়াই।
এরপর কবির সব থেমে যায় নীরবে নীরবে চুপ,
বুক ভরা তার দুঃখ ছিল দেখেছি তারই রূপ।
বড় বাজার, চুয়াডাঙ্গা, বাংলাদেশ
মোবাইল ০১৮১৮-৩৪৩৯৩৬

ভূত ভাগানো | প্রদীপকুমার পাল














ভূত-ভূতনি ভূতের পোলা

মামদো ভূতের ছা,
লঙ্কা ক-টা পুড়িয়ে দিলাম
ধোঁয়ায় উড়ে যা।

আবার যদি আশিস তবে
নাকটা যাবে তোর --
ডান্ডা মেরে থ্যাতলাবো পা
ভুগবি জীবনভর।

বড্ড মজা ভয় দেখানো
তাই না ভূতের ছা ?
তোরাই ভয়ে মরবি শেষে
যা পালিয়ে যা।

এ-ডাল থেকে ও-ডাল গিয়ে
বলছে ভূতের ছা,
ভূত তো তোদের মনের ভিতর
ভাগিয়ে দিয়ে যা।

Pradip Kumar Paul.
Vill...Jagadishpur.
Post...Jagadishpur Hat.
Dist..Howrah...711115
Mob..8910702259.
Whatsapp...9007438350
Ma













পুতুল বিয়ে | আতাউর মালেক









খেলছে খুকি দু'জন মিলে
কলার পাতার ঘর,
ঘরের খুঁটি  কঞ্চি বাঁশের
তাই করে নড়বড়!

নুহার পুতুল তুনার পুতুল
আজকে হবে বিয়ে,
ব্যস্ত সবাই বাড়ির কাজে
রান্না -বান্না নিয়ে!

থালা বাসন কাঁঠাল পাতার
মাটির তৈরি চুলো,
করল বাজার আনল চাল
কয়েক টন ধূলো!

তুনার মেয়ে কি সেজেছে
পড়ছে শাড়ি লাল!
শুনল হঠাৎ বর আসে নাই 
বিয়ে হবে কাল!

ছড়াঃ টোকাইর ভাবনা | শাহ আলম বাদশা











আমার কথা কেউ ভাবে না
কেউ ডাকে না আমারে
কোথায় থাকি কেউ বলে না
নোংরা কেন জামা রে?
ফুটপাতে রই শুয়ে-বসে
নাম হয়েছে টোকাই যে!
আমারও তো বাপ-মা ছিল
ছিলাম বাবু-খোকাই যে!
কাগজ-কুড়াই বেচি মালা
যায় না তবু খিদের জ্বালা
কুকুর আমার সঙ্গীও;
ইস্কুলে যাও তোমরা সুখে
বুকটা আমার ভাঙে দুখে
কতবাধাই লঙ্ঘিও।
তোমার আছে বাড়ি-গাড়ি
আমরা শুধু খাই তো ঝাড়ি
কেউ শোনে না কান্না তো!
না পেলে তাই উপোস থাকি
কেউ শোনে না যতই ডাকি
হয় না কভু রান্না তো?
এমনি করে যাই মরে যাই
জগত থেকে যাই সরে যাই
তোমরা যাবেই যেখানে;
এই ব্যবধান থাকবে কি রে
সবাই সমান গোপন-নীড়ে
পার পাবে না সেখানে!

কোথায় সে দিনগুলো | শংকর দেবনাথ















কিশোর রোদের কল্পবোধে তপ্ত করে মনন,
প্রাণের খোঁজে নিত্য গো যে অতীত করি খনন।
ডুব-সাঁতারের খুব মজারু পদ্মদীঘি-দুপুর,
বুকের ভেতর সুখের সুরে শোনায় ঝাপুরঝুপুর।
দলবেঁধে ঝলমল আনন্দে স্কুলে যাওয়া আসার,
স্মৃতির পথে কুড়াই নিতি গন্ধ ভালবাসার।
খেলাধুলোর বিকেলগুলোর গল্প মনের কোণায়,
বেড়ায় খুঁজে দু'চোখ বুজে হারিয়ে ফেলা সোনা-ই।
বন্ধুরা কোন দূর অজানায় হারিয়ে গেল সবাই?
আনচানানো কান পেতে রই শুনব বলে রব-'আয়'।
কিশোরবেলার স্বপ্নখেলার সে দিনগুলো কোথায়?
খুঁজছি তাকে স্মৃতির বাঁকে  কষ্টনদীর সোঁতায়।

কবিতাঃপাখিদের কলতান | মৌসুমী বিশ্বাস
















গাছে বসে দুটি পাখি 

 করছে ভীষণ ঝগড়া ।

চড়ুই এসে বলল হেসে,

থামবে এবার তোমরা !

মাছরাঙা বলল শেষে,

  মাছ খাবে তোমরা ?

চুনো পুঁটি ধরেছি আমি 

  আর একটা দামড়া।

বাবুই পাখি বানায় বাসা
 
 উল্টো কুঁজো যেন !

থাকতে পারো তোমরা দুজন 

       প্রশ্ন করো কেন?

জমিদারের কাজ করে যে

   ঝাড়ুদার পাখি,

বলতে পারো নাম টা তার ?

    কান মোলব নাকি ?



 লেখকঃ 
 মৌসুমী বিশ্বাস, 
Mobile-6296427360
Address  -----
 Purono Hut . Main Road .
Post ---- Burnpur  .  Dist --- paschim Bardhaman. 
Pin ---- 713325 
West Bengal