বিজ্ঞাপন

৬ষ্ট বর্ষে শিশুকিশোর টুনটুনি! টুনটুনির সকল লেখক, পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা!

স্কুল বন্ধে শিশুদের মানসিক বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে | জোবায়ের জুবেল



করোনার কারণে দীর্ঘ দিন স্কুল বন্ধ থাকায় শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশ হচ্ছে না। অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে শ্রেণীকক্ষে অনুপস্থিতির ঘাটতি কাটিয়ে উঠা সম্ভব নয়। শিশুরা ক্লাসের সেই হৈ-হুল্লোড় আর সহপাঠীদের সাথে খেলার মাঠে ফেরার জন্য মুখিয়ে আছে। বাড়িতে থেকে থেকে তারা অতিষ্ঠ। বিশ্বের ১৯১টি দেশের উপর গবেষণা চালিয়ে স্কুল খুলে দেয়ার পক্ষে মত দিয়েছে ইউনিসেফ। দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকায় আমাদের দেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পড়েছে মহাসঙ্কটে। ইতোমধ্যে প্রায় ৪০ হাজার বেসরকারি স্কুল বন্ধ হওয়ার পথে। এই বিরাট সংখ্যক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলে ঝরে পড়বে প্রায় এক কোটি শিক্ষার্থী। বেকার হবে লক্ষাধিক শিক্ষক। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোর প্রায়  ৯৯ শতাংশই ভাড়া বাড়িতে কার্যক্রম চালায়। শিক্ষার্থীদের মাসিক টিউশন ফি দিয়েই তাদের খরচ নির্বাহ করে কিন্তু করোনার কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় উল্টো ভর্তুকি দিতে হচ্ছে তাদের। গত ৮ ডিসেম্বর নিউ ইয়র্ক থেকে ইউনিসেফের এক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়েছে, স্কুল বন্ধ হওয়ায় বিশ্বব্যাপী অতিরিক্ত ৯ কোটি শিক্ষার্থীর শিক্ষাগ্রহণে অগ্রগতি এবং সার্বিক কল্যাণে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। সংস্থাটির দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশ্বের প্রতি পাঁচজন স্কুলগামী শিশুর মধ্যে প্রায় একজনের ক্লাস বন্ধ রয়েছে অর্থাৎ মোট ৩২ কোটি শিশুর ক্লাস বন্ধ রয়েছে, যা গত ১ নভেম্বরের ২৩ কোটি ২০ লাখের চেয়ে প্রায় ৯ কোটি বেশি। তাদের শিক্ষা কার্যক্রমের বৈশ্বিক প্রধান রবার্ট জেনকিনস জানান, স্কুলগুলো এই মহামারীর প্রধান চালিকাশক্তি নয়। তারপরও স্কুল বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে, এর ফলে অব্যাহতভাবে শিশুদের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা ও সুরক্ষার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। ইউনিসেফের আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের ৪৬৩ মিলিয়ন শিক্ষার্থীর অনলাইনে ক্লাস করার মতো সুযোগ নেই।  প্রত্যন্ত অঞ্চলসমূহে ইন্টারনেট সেবা না থাকায় সেখানকার শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। তাছাড়া শহরে ইন্টারনেট সেবা থাকলেও নেটওয়ার্কজনিত সমস্যার কারণে ঠিকমতো ক্লাস করা যায় না।
করোনায় সারা বিশ্বে ৪৬ কোটি ৩০ লাখ শিশুর স্কুল বন্ধ। বিশ্বব্যাপী ৭২ শতাংশ স্কুলশিক্ষার্থীর পরিবার দরিদ্র। তাদের পক্ষে অনলাইন শিক্ষায় যুক্ত হওয়া সম্ভব নয়। উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশগুলোর মধ্যে প্রায় ৮৬ শতাংশ শিক্ষার্থী অনলাইন শিক্ষায় যুক্ত হতে পারে না। স্কুলের কার্যক্রম সমূহ স্বাভাবিক গতিতে চালিয়ে বাল্যবিবাহ ও ঝরে পড়া কমানো, ভর্তি সংখ্যা বৃদ্ধিসহ যেসকল সাফল্য অর্জিত হয়েছিল;দীর্ঘ বন্ধের কারণে তাও হুমকির মুখে পড়ছে। শিশুদের যথাসম্ভব নিরাপদে রেখে স্কুলগুলো পুনরায় খুলে দেয়ার জন্য ইউনিসেফ বিভিন্ন দেশের সরকারের প্রতি আহ্বান জানায়। তবে হ্যা, অবশ্যই করোনা সংক্রমণের বাস্তবতাও মাথায় রাখতে হবে। তাই স্কুল খোলার আগে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ও নিরাপদ পরিবেশের ব্যবস্থা করতে হবে।


জোবায়ের জুবেল
নির্বাহী প্রকাশক, স্বর্ণলিপি প্রকাশন।
৪২৮ ডি ব্লক ( আবুল হোসাইন)
খোজার খলা, সিলেট সদর,
সিলেট।

একগুচ্ছ ঈদের ছড়া | আতাউর মালেক



১- 'স্বপ্ন ভাসে মায়ের চোখে'


রাতের বেলা চাঁদের আলো

ঝকমকিয়ে উঠে,

খোকন সোনা মায়ের কোলে

দেখছে খুঁটে খুঁটে!

বলছে মাকে, চাঁদটা মাগো

জ্বলছে কেন বলো,

চলোনা মা সেথায় গিয়ে

একটু ঘুরি চলো!

চাঁদে নাকি কোনসে বুড়ি

মিটমিটিয়ে হাসে,

পেঁজাতুলো মেঘেরা সব

কেমনে দেখি ভাসে!

খোকার এমন কথায় বাঁনে

ভরে মায়ের বুক,

স্বপ্ন ভাসে মায়ের চোখে

আসছে ঘরে সুখ! 


২-'বলছে মাকে, ঈদটা মাগো'


খোকা বাবুর মনটা ভারী

বলছে না সে কথা, 

এই করোনায় মরলো অনেক

তাইতো মনে ব্যথা! 

ছোট্ট খোকা করবে কী আর

ছোট্ট মাথা তার, 

বলছে মাকে, ঈদটা মাগো

করবো না এবার! 

দেখছো না মা!  আহাজারি 

দুনিয়া জুড়ে আজ,

পায় না তারা চিকিৎসাটাও

করুন কিযে সাজ! 

হাতটি রেখে খোকার মাথায়

রবকে ডাকে মায়ে, 

শান্ত করে দাও না খোদা 

তোমার শিতল ছাঁয়ে! 



ভূতের বাবার জ্বর | পলাশ পাল

 



ভূতের বাবার জ্বর এসেছে,
ঘন বর্ষায় ভিজে।
ভূত পরিবার এলো ছুটে,
করবে এখন কি যে।

বয়স বেড়েছে গরীব বাবার,
পরিবার পথে বসে।
ঠেলায় পড়ে কুঁড়ে ছেলে
জমিতে লাঙল চষে।

ভূতের রাজ্যে বড়ই অসুখ,
খাবারের বড্ড অভাব।
গভীর রাতে চুরি করা,
অদ্ভুত ওদের স্বভাব।

ভূতের বাবার যে জ্বর এসেছে,
বৃষ্টিতে ভিজে গিয়ে।
ভূত কবিরাজ এসেই গেলো
জংলী পাতা নিয়ে।


নাম: পলাশ পাল
ঠিকানা: মানকুন্ডু পালপাড়া লেন, হুগলী
মোঃ ৮৯৮১২৪২৮৭৪

শিশু-কিশোর | রাসেল খান

 



তোমরা যারা শিশু-কিশোর 
বদ্ধ ঘরে থাকো, 
মনের মাঝে স্বপ্ন হাজার 
রং তুলিতে আঁকো। 

হয় না দেখা ইচ্চেমতো
খোলা আকাশটাকে, 
ঢেউয়ের খেলা কেমন করে
নদীর বাঁকে বাঁকে?

গাছের পাতা ঝিরিঝিরি 
দুলে জুড়ায় প্রাণ,
হয় না শোনা পাখির ঠোঁটে 
অবাক করা গান। 

মন জুড়ানো স্নিগ্ধ পরশ 
আকুল হয়ে আসে,
হয় না হাঁটা খালি পায়ে
কোমল দূর্বাঘাসে।

সবুজ মাঠের পথটি ধরে
শাপলা বিলের ঘাটে,
হয় না ছে‌াটা বিকেলবেলা 
খেলতে গাঁয়ের মাঠে। 

শিউলি পলাশ গোলাপ বেলি 
হাজার ফুলের ঘ্রাণে, 
হয় না ছোটা একটুখা‌নি
সুবাস মাখি প্রাণে। 

মন হাসে না র‌বির আলোয়
বন্দি থেকে ঘরে, 
স্বপ্নগুলো গুমরে কাঁদে 
অঙ্কুরে যায় মরে।

খুকির দুর্গা পূজো | দ্বীন মোহাম্মাদ দুখু




খুকি বসে কাঁদছে দেখো
একলা ঘরের কোণে,
পূজোয় জামা পায়নি খুকি
দুঃখ হাজার মনে।

দুর্গা মায়ে এবার বাড়ি
রাখবে নাকো চরণ,
অর্থ কড়ি নাইকো ঘরে
বইছে দুঃখের ত্বরণ।

হাজার স্বপন মনে খুকির
পূরণ হলো না আর,
রেগেমেগে খুকি বলে
করোনা দেশটা ছাড়! 

হবেই পুজো আমার গ্রামে | তুহিন কুমার চন্দ


ঢ্যাম কুড়াকুড় ঢ্যাম কুড়াকুড়
বাদ্যি বাজে পুজোর ঢাকে
কি পুজো ভাই বাজনা বাজাই
পুতুল সাজাই নদীর ঘাটে।

বসবে মেলায় কুকুর খোলায়
গয়না গাটি শীতলপাটি
রান্না করার হাড়ি পাতিল
খেলনা পাতি মাটির বাটি।

পাগলা ভোলা দরাজ গলা
বৃষ্টি ভিজে নিচ্ছে খুঁজে
কোন মাটিতে গড়বে পটো
দুগগা মায়ের মূর্তি নিজে।

চালায় নিজের টায়ার গাড়ি
কাল দিয়েছে নিতাই কাকা
কুকুর খোলায় খেলছে ভোলা
ফেলে দেয়া টায়ার চাকা।

পুজো হবে পুজো হবে
ছুটছে ভোলা বাঁশবাগানে
সাফ করে নাও এই এখুনি
জমবে মেলা যাত্রাগানে।

পুকুর পাড়ে বৃদ্ধ হাড়ে
একলা চলে বিপিন খুড়ো
হবেই পুজো আমার গ্রামে
তাই বসে খাই মাছের মুড়ো।

শিউলি সুবাস | সবিতা বিশ্বাস



কালো মেঘেদের তাড়িয়ে দিয়েছে সাদা মেঘেদের দল
ঝির ঝির ঝির বইছে ওই অঞ্জনা নদীর জল
আর দেরী নেই মোটে
সিরাজ ধীরাজ পদ্ম তুলছে কলার ভেলার বোটে

কাশের গুচ্ছ দুলছে দোদুল রেললাইনের ধারে
তনিমা জরিনা ধরছে ফড়িং তাইরে নাইরে নারে
দুয়ারে দাঁড়িয়ে পুজো
নীল আকাশের মেঘের ভেলায় গণেশজননী খুঁজো

কুমোর পাড়ায় গড়ছে ঠাকুর সিংহ ভীষণ রেগে
অসুরব্যাটাকে কামড়ে ধরেছে বীর বিক্রম বেগে
তাকুড় নাকুড় তাক
শিউলি সুবাস গায়ে মেখে নিয়ে বাজলো পুজোর ঢাক।



দাদু নাতি | লায়লা আরজুমান সুইটি


খোকন সোনা রাগ করেছে
আর খাবেনা ভাত!
আদর কদর যতোই করো
বুঝাও না পাঁচ সাত।
পড়তে আমার ভাল্লাগেনা
খেলা দোলা খায়,
নীল আকাশে ঘুড়ি হয়ে
উড়তে মনে চায়।
সাতরঙা ঐ রামধনুটা
আমার কেনো নয়?
দাদু কেবল পড়তে বলে
দুইয়ে চারে ছয়।
সাদা মেঘের ভেলায় ভেসে কল্পে চাঁদে যাই
অলি হয়ে ফুলের বাগে
কতোই মধু খাই।
পড়ালেখায় হেলাফেলায়
ধরেছে দাদু কান!
তাই তো খোকা ভাত খাবে না
খুব করেছে মান।
রাগ করে না নাতি সোনা
আমার দিকে চাও,
মেলায় নিয়ে যাবো তোমায়
একটু হাসি দাও।

ব্যাঙের বিয়ে | আবুল খায়ের



বাঘাডোবা ব্যাঙের বাড়ি
ভাঙ্গবে হাড়ি,
রানুদিদি, দাদার সনে
ধর'ছে আড়ি।
বৃষ্টি হলেই কোলা ব্যাঙের লম্বা সারি,
জোর'সে ডাকে ভাসিয়ে
জলে দাড়ি।
ডোবার জলে নাতি
ব্যাঙের বিয়ে,
মুষলধারে বৃষ্টি এলে
সঙ্গে যাবে টিয়ে।
সানাই বাজবে,বাজবে
আরও ঢোল,
নাচ হবে গান হবে
পড়বে গালে টোল।

শিক্ষকের মর্যাদা | মুহাম্মদ বরকত আলী

 

কবিতা থেকে গল্পঃ


দিল্লীর এক প্রভাবশালী বাদশার কথা শোনাব আজ। বাদশার উত্তরাধীকারি হিসেবে একমাত্র শাহাজাদা ছিল। শাহাজাদারা রাজ্য পরিচালনার জন্য যুদ্ধবিদ্যাসহ অন্যান্য শাস্ত্রেও শিক্ষা নেয়। কিন্তু যুদ্ধবিদ্যা শিক্ষা নেওয়ার জন্য উপযুক্ত বয়স আর শারীরিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে। শাহাজাদাকে আদব কায়দা শেখানোর জন্য খুব অল্প বয়সে, মানে তোমাদের এখন যত বয়স, ঠিক সেই বয়সে দিল্লীর একটা মক্তবে মৌলভীর কাছে পাঠানো হল। দিন যায়, মাস যায় শাহাজাদা মক্তবের মৌলভীর কাছে আদব কায়দা শিখতে থাকে। বাদশা সিদ্ধান্ত নিলেন নিজের চোখে দেখে আসবে শাহাজাদা ঠিকঠাক শিক্ষা নিচ্ছে কিনা। যেই বলা সেই কাজ। পরের দিন সকালবেলা বাদশা ছদ্মবেশে হাজির হলেন মক্তবে।

মক্তবে প্রবেশ করতেই দেখতে পেলেন, মৌলভী বসে বসে অজু করছে, শাহাজাদা তার মৌলভীর পায়ে পানি ঢালছেন। মৌলভী নিজ হাতে পায়ের আঙ্গুল পরিস্কার করছেন। এতক্ষণ পর মৌলভী দেখতে পেলেন বাদশা স্বয়ং এসেছেন মক্তবে। মৌলভী উঠে দাঁড়িয়ে কুর্নিশ করতেই, বাদশা কথা না বলেই প্রবেশ দ¦ার থেকেই ফিরে গেলেন রাজদরবারে। মৌলভী সাহেব বিচলিত হয়ে পড়লেন। কি জানি কি হয়!
পরের দিন সকালে রাজ দরবারে ডাক পড়লো মৌলভী সাহেবের। মৌলভী সাহেব ভয়ে কিছুটা দুমড়ে গেলেন। দিল্লীর অধিপতি বাদশা আলমগীরের একমাত্র শাহাজাদাকে পাঠিয়েছেন শিক্ষা লাভের জন্য, আর আমি তাকে দিয়ে অযুর পানি আনিয়েছি। শুধু কি তাই! শাহাজাদাকে দিয়ে আমার পায়ে পানি ঢেলে নিয়েছি। হয়তো আজ আমার গর্দান যাবে।
কিছুক্ষণ পর আবার বুক ফুলিয়ে মৃদু হেসে মনে মনে বললেন, শিক্ষক আমি, দিল্লীর অধিপতি বাদশা সে কোথাকার। যায় যাবে গর্দান, তবুও আমি চাইবো না প্রাণ ভিক্ষা।

রাজ দরবারে বাদশা সিংহাসনে বসে আছেন। মন্ত্রিবর্গ, অন্যান্য সভাসদেরাও নিজ নিজ আসনে বসে আছেন।
মৌলভী সাহেব দরবারে হাজির হলেন। সকলেই চুপচাপ। বাদশা বললেন, মৌলভী সাহেব, আপনি আমার ছেলেকে একটুও আদব কায়দা শেখাননি? সেতো শিখেছে বেয়াদবি।

গতকাল শাহাজাদা আপনার পায়ে অযুর পানি ঢালছে, আর আপনি নিজ হাতে আপনার পায়ের আঙ্গুল পরিস্কার করছেন, এটা কি বেয়াদবি না? আমি খুব খুশি হতাম যাদি দেখতাম যে, শাহাজাদা আপনার পায়ে পানি ঢালছে আর তার নিজ হাত দিয়ে আপনার পা ধুয়ে দিচ্ছে।এ কথা শুনে সভাসদ সকলেই বাদশার জয় ধ্বনি দিতে লাগলেন। মৌলভী সাহেব বুক ফুলিয়ে বাদশাকে কুর্নিশ করলেন আর বললেন, সত্যিই আপনি মহান উদার বাদশা আলমগীর। সেই থেকে শিক্ষকের মর্যাদা আরও বেড়ে গেল। সকলেই শিক্ষকদের সম্মান করে। তোমরাও শিক্ষকদের কথা মত চলবে আর তাদেরকে শ্রদ্ধা করবে।

( কাজী কাদের নেওয়াজ‘র ‘শিক্ষাগুরুর মর্যাদা’ কবিতা অবলম্বনে।)
মেহেরপুর, সদর

কবি সিদ্দিক আবু বকর এর একগুচ্ছ ছড়া



 ক. সৈকতে আমি

খালি গায়
খালি পায়,
সৈকতে আমি-
ভোঁদৌড় দৌড়াই
রদ্দুরে ঘামি।
এই যা টলে পা
ধপ্পাস, থামি।
গা জ্বলা দুপুরে
সাগরে নামি।
হাপ্পুস হুপ্পুস
ঢেউটা দামী
সৈকতে দৌড়াই
সাগরে নামি।

খ. চিনুক সবাই


শামুক, ঝিনুক
           চিনুক
           চিনুক
সবাই চিনুক।
সবাই কিনুক
ঝিনুক মালা
শামুক বালা
কানের দুল
সাগর ফুল।

রূপের খামার
কিনুক সবাই
সৈকত আমার
চিনুক সবাই।

গ. গর্জন

হুম হুম
গুম গুম,
সোঁ সোঁ সাঁ!
তেড়ে ফুঁড়ে
আসে অই
সাগরের জাঁ
সোঁ সোঁ 
সোঁ সোঁ
সাঁ সাঁ সাঁ।
উঁচু ঢেউ গর্জন
তীরে থেমে যা
ভিজে যাক
খুকু মনি
বাঁধনের পা।